পাতা

উদ্ভাবনী আইডিয়া

মন্ত্রণালয়ের নামঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

 

১। উদ্ভাবনের নামঃ- “আলোর ফেরিওয়ালা” (গ্রাহক অফিসে নয়, অফিসই গ্রাহকের বাড়ী বাড়ী)

 

২। পটভূমিঃ-

ক) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ “ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” এর আওতায় সারাদেশে উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। গ্রামের সকল মানুষকে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড চেয়ারম্যান এর নির্দেশনায় সারাদেশে স্পট মিটারিং কার্যক্রম শুরু করা হয়। উক্ত কার্যক্রমের আওতায় নির্দিষ্ট একটি স্থানে নির্দিষ্ট দিনে গ্রাহকদের আসার জন্য মাইকিং করে জানানো হয়। গ্রাহকগণ উক্ত স্থানে এসে টাকা জমা দিয়ে ঐ দিনই মিটার সংযোগ গ্রহণ করতে পারতেন। মিটার সংযোগের প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, হয়রানিমুক্ত ও গ্রাহক বান্ধব করার লক্ষ্যে মিটার সংযোগের যাবতীয় প্রক্রিয়া যেমনঃ মিটার সার্ভিস ড্রপ তার, টাকা জমা গ্রহণের রশীদ বই, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ০২জন লাইনম্যান একজন ওয়্যারিং পরিদর্শকসহ “আলোর ফেরিওয়ালা” নামে একটি গ্রাম্য ভ্যানে করে গ্রাহকের বাড়ী বাড়ী পৌছে স্পটে আবেদন গ্রহণ, পরিদর্শন, প্রয়োজনীয় অর্থ জমা নিয়ে মাত্র ৫মিনিটে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হচ্ছে। এখানে আবেদন ফি ভ্যাটসহ ১১৫/- টাকা জামানত আবাসিক ক্ষেত্রে (১কিঃওঃ) ৪০০/- টাকা, সদস্য ফি ৫০/- টাকা সর্বমোট ৫৬৫/- টাকা স্পটে পরিশোধ করে কোন রকম ঝক্কি ঝামেলা ছাড়া মাত্র ৫ মিনিটে হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হচ্ছে। “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রম গত ২৪ শে ডিসেম্বর/২০১৮ খ্রি. তারিখ ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হরিণাকুণ্ডু সাব-জোনাল অফিসে শুরু হয়। উক্ত উদ্ভাবনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে ঝিনাইদহ পল্লী ‍বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জনাব প্রকৌশলী মোঃ আলতাফ হোসেন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রমের উদ্ভাবক ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হরিণাকুণ্ডু সাব জোনাল অফিসের এজিএম (ওএন্ডএম) জনাব শেখ আব্দুর রহমান।

 

খ) বিদ্যমান সমস্যা/চ্যালেঞ্জ সমূহঃ

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছানোর জন্য সনাতন পদ্ধতিতে চ্যালেঞ্জ ছিলো। এক শ্রেণীর দালাল গ্রামের অসহায় দরিদ্র লোকজনকে পুঁজি করে ৮/১০ হাজার টাকা নিয়ে দিনের পর দিন হয়রানি করে। ফলে যথাসময়ে হয়রানীমুক্ত ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ  পৌঁছানো কিছুটা বিঘ্নিত হয়। “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রাহককে অফিসে নয়, অফিসই গ্রাহকের বাড়ীতে হাজির। এর ফলে গ্রাহক ভোগান্তি দুর হয়েছে। স্থানীয় দালালদের উপদ্রব বন্ধ হয়েছে।

 

(গ) অনুপ্রেরণার উৎসঃ

          মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায়ই বলেন-“আমাদের সেবা জনগণের দোর গোড়ায় নিয়ে যেতে হবে। জনগণকে আপন ভাবতে হবে”।

          গ্রাহকসেবা বৃদ্ধির জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানী উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী, সিনিয়র সচিব মহোদয়গণ বিভিন্ন সময় তাগিদ দেন।

          এছাড়া বিআরইবির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) জনাব মঈন উদ্দিন গ্রাহকসেবা আরো দ্রুত ও উন্নততর করার জন্য বারংবার নির্দেশনা দেন। হয়রানিমুক্ত গ্রাহক বান্ধব সেবা প্রদানের জন্য সকলকে নির্দেশ প্রদান করেন।

          সকলের দিক নির্দেশনা ও গ্রাহক সেবার স্বার্থে ঘূষ, দূর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত বিদ্যুৎ সংযোগ “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রাহকের দূয়ারে পৌছিয়ে দেয়ার জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।

ঘ) কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিলঃ

          মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে সকল গ্রাহকের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছিয়ে দেয়াসহ আরো দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত গ্রাহক সেবার জন্য “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

 

i) গ্রাহক সচেতনতার জন্য মাইকিং, পোষ্টার, লিফলেট প্রচার করা হয়েছে।

ii) বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ, স্কুল, কলেজ, হাটবাজারে জন সাধারণকে নিয়ে মোটিভেশন সভা আয়োজন করা হয়েছে।

iii) স্থানীয় ডিস চ্যানেলে প্রচার করা  হয়েছে।

 

(ঙ)বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ কিভাবে মোকাবেলা করা হয়েছিলঃ

          নতুন সংযোগসহ গ্রাহক সেবার জন্য আরো পরিধি বৃদ্ধির জন্য বিআরইবি এর চেয়ারম্যান মহোদয় গত ০৩/০১/২০১৯ তারিখ এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে প্রতিদিন ৮০ টি পল্লী বিদ্যুতে ১০টি করে ৮০০টি ভ্যানের মাধ্যমে “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

          “আলোর ফেরিওয়ালা” বাস্তবায়নে স্থানীয় দালালদের বাঁধা ছিল। যাহা আইন শৃঙ্গলা বাহিনীর সহযোগিতায় ও গ্রাহক মোটভেশন করে বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা হয়েছে।

 

(চ)টেকসই করণে গৃহীত ব্যবস্থাদিঃ

          “আলোর ফেরিওয়ালা” ভ্যান গ্রামে গ্রামে গ্রাহকের দূয়ারে দূয়ারে গমন করছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেয়া হবে বিধায় ““আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রমকে টেকসই করণে বিআরইবি চেয়ারম্যান মহোদয় নিম্নবর্ণিত বহুমুখী কাজে ব্যবহারের জন্য ‍দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

 

i) “আলোর ফেরিওয়ালা” মোবাইল অভিযোগ কেন্দ্র হিসেবে স্পটে গ্রাহকের অভিযোগ সমাধান করবে।

ii) গ্রামে গ্রামে গমনের সময় লাইন পরিদর্শন করবে এবং লাইন পরিদর্শনে প্রাপ্ত ক্ষুদ্র রক্ষণাবেক্ষণ কাজ তাৎক্ষনিক সমাধান করবে।

iii) মিটার পরিবর্তন, পূনঃসংযোগ ও বিচ্ছিন্ন কাজ সম্পাদন করবে।

iv) বিতরণ ট্রান্সফরমার ওভারলোড/আন্ডারলোড/ লোড বিভাজন কাজ সম্পাদন করবে।

v) বকেয়া আদায় তথা রাজস্ব আদায় কাজ করবে।

vi) গ্রামে গ্রামে গমনকালে বৈদ্যুতিক মালামাল চুরি ও নিরাপদ পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য গ্রাহকগণকে মোটিভেশন করবে।

 

৩। পরিবর্তনের শুরু কথাঃ

(ক)     যেখানে আজ থেকে ১০ বছর আগেও বিদ্যুৎ পাওয়াটা ছিল মানুষের জন্য স্বপ্নের ব্যাপার। দিন-রাত ২৪ ঘন্টায় যে এলাকার মানুষের ভাগ্যে বিদ্যুৎ জুটতো মাত্র ৪/৫ ঘন্টা, বাসা বাড়ী কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের লাইন নিতে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, এমনকি বছর পেরিয়ে গেলেও মানুষ কাঙ্খিত বিদ্যুৎ পায়নি। হাজার হাজার টাকা দিয়েও যেখানে মানেুষের কপালে জোটেনি বিদ্যুতের লাইন, সেখানে মাত্র ৫ মিনিটে ঘরে বসেই পাচ্ছে বৈদ্যুতিক লাইন। এ যেন সত্যিই স্বপ্ন। যা বাস্তবে রূপ নিয়েছে ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভাগ্য। এখানে যেমন বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সেবা লোড শেডিং এক অকল্পনীয় ব্যাপার তেমনি এখানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উদ্যেগে মানুষের ঘরে ঘরে ভ্যানে করে পৌছে দেয়া হচ্ছে বিদ্যুতের মিটার। পল্লী বিদ্যুৎ দূয়ার মিটারিং কার্যক্রম এর আওতায় উপজেলার সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি ভ্যানে করে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ ও মিটার পৌছে দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২৪ শে ডিসেম্বর’২০১৮ ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হরিণাকুন্ডু সাব জোনাল অফিসের এজিএম (ওএন্ডএম) শেখ আব্দুর রহমান কর্তৃক উদ্ভাবিত উদ্ভাবনী উদ্যোগ “আলোর ফেরিওয়ালা” পল্লী বিদ্যুৎ দূয়ার মিটারিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌঃ মোঃ আলতাফ হোসেন।

 

(খ) কত ব্যক্তির জীবন মানে পরিবর্তন আনলোঃ

          “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে গ্রামের শতভাগ মানুষের নতুন সংযোগের পাশাপাশি অভিযোগ সমাধান সহ অন্যান্য কাজ দ্রুত সম্পাদনের মাধ্যমে গ্রামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়া সম্ভব হয়েছে। এতে গ্রামীন জনপদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকার ফলে লেখাপড়া, ক্ষুদ্র কুটির শিল্প, মুরগী ও মৎস খামার, সেচ কলকারখানার কর্মঘন্টা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে গ্রামের জন সাধারণ আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয়েছে এবং গ্রামীন জীবন মানে উন্নতি সাধিত হয়েছে।

 

(গ) সূদুর প্রসারী কি কি অবদান রাখবেঃ

          “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রম বহুমুখী ব্যবহারের ফলে গ্রামের জনগণকে অফিসে আসার আর প্রয়োজন পড়বে না। ঘরে বসেই তারা কাঙ্খিত সেবা পাবে। দালাল দ্বারা অর্থনৈতিক ভাবে হয়রানি হতে হবে না। একই এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন কাজে পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীকে বারবার গমনের প্রয়োজন হবে না। এতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জনবল ও পরিবহন ব্যয় অনেকাংশে হ্রাস পাবে। তাৎক্ষনিক গ্রাহক সেবা প্রদানের কারণে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ পাবে। এতে গ্রাহকের কর্মঘন্টা বৃদ্ধি পাবে। আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নতি হবে। দেশ উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছিয়ে যাবে।

 

৪। উপকারভোগী বা অংশীজনের প্রতিক্রিয়া/অনুভুতিঃ

হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বাকচুয়া গ্রামের রাসেল আহম্মদ জানান, পল্লী বিদ্যুতের “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রম তাঁদের অনেক সুবিধা এনে দিয়েছে। সংযোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে ধরনা দিতে হচ্ছে না। টাকা জমা দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ানো লাগছে না। দিনের পর দিন ঘুরতে হচ্ছে না। মাত্র পাঁচ মিনিটেই নতুন সংযোগ পেয়ে যাচ্ছেন, যা এর আগে ভাবতেও পারেননি তাঁরা।

 

হরিণাকুণ্ডু পৌর শহরের মো. টুলু মিয়া জানান, “পল্লী বিদ্যুতের এই কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে, সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের কাছ থেকে জনগণ প্রকৃত সেবা পাচ্ছেন”।

 

বিদ্যুৎ পেয়ে গৃহবধূ মোমেনা খাতুন বলেন, “আমার কোন লোকজন নেই তাই অফিসে গিয়ে আবেদন করা সম্ভব হচ্ছিল না। এভাবে বাড়ি বসে বৈদ্যুতিক মিটার পেয়ে যাবো তা স্বপ্নেও ভাবিনি”।

 

এত সহজ পন্থায় এর আগে কখনো সংযোগ মেলেনি বলে সাধারণ গ্রাহকরা জানিয়েছে।

 

ভাটিতাহিরপুর গ্রামের নতুন বিদ্যুৎ লাইন পাওয়া গ্রাহক মুকলেছ মিয়া বলেন, “আজ আমি নতুন বিদ্যুৎ লাইন পাইছি, আমার ফটো ও কাগজ দিতে কিছু সময় দেরি হইছে কিন্তু বিদ্যুৎ লাইন পাইতে মাত্র পাঁচ মিনিট সময় লাগছে”।

গৃহবধূ সায়েরা বেগম বলেন, “এত সহজে নতুন সংযোগ পাওয়া যাবে, তা আমাদের স্বপ্নেও ছিল না”।

 

হরিণাকুণ্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের শফিকুর রহমান বললেন “ভোগান্তি ছাড়াই এতো অল্প সময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া ছিল আমাদের কল্পনার অতীত। এই কার্যক্রমে আমাদের মতো অনেককে সুবিধা দিয়েছে”।

 

হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান “আগে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগে স্থানীয় বিভিন্ন দালাল শ্রেণী কর্তৃক ৮/১০ হাজার টাকা গ্রহণের পরও মাসের পর মাস হয়রানি হতে হতো। বিভিন্ন গ্রাহকগণ মাঝে মাঝে আমার কাছে অভিযোগ করত। কিন্তু “আলোর ফেরিওয়ালা” কার্যক্রম চালুর পর মানুষের দূয়ারে দূয়ারে গিয়ে সেবা প্রদানের কারণে এখন আর কোন গ্রাহকের অভিযোগ নাই। পল্লী বিদ্যুতের আলোর ফেরিওয়ালাকে ধন্যবাদ জানাই”

 

৫। টিসিভি/গ্রাফ/ইনফোগ্রাফিকস/ছবি/ভিডিওঃ

টিসিভি বিশ্লেষণঃ

বিবরণ

প্রচলিত পদ্ধতি

আলোর ফেরিওয়ালা কার্যক্রম

সময়

০৭ দিন

০৫ মিনিট

প্রয়োজনীয় ব্যয়

নূন্যতম ৩০০০/- টাকা

৫৬৫/- টাকা

অফিস আগমন

৫-৬ বার আসার প্রয়োজন হতো

অফিসে আসার প্রয়োজন নেই

মধ্যসত্ত্বভোগী

দালালের উপদ্রব ছিল

মাধ্যমের প্রয়োজন নেই

 

 

 

 

টিসিভি/ভিডিও (ইউটিউব/তথ্য বাতায়নে আপলোড করে লিংক উল্লেখ করুন):

Jhenaidah PBS Website

https://drive.google.com/file/d/1DSIXlGf8qvz-UkPdYZEBTjTaIkUQ9e2B/view

ATN News (Youtube)

https://www.youtube.com/watch?v=FPJlzi9fNXM

Channel 24 (Youtube)

https://www.youtube.com/watch?v=ARPIexiXq2k

Ekattor TV (Youtube)

https://www.youtube.com/watch?v=FwJroFOzX2k

All About Bangladesh (Youtube)

https://www.youtube.com/watch?v=MrQm9c2Xr_Y

 

৬। উদ্ভাবন ও বাস্তবায়ন টিমঃ

সদস্য/সদস্যদের নাম ও পদবী

ছবি

প্রকৌশলী মোঃ আলতাফ হোসেন, জেনারেল ম্যানেজার

 

শেখ আব্দুর রহমান, এজিএম (ওএন্ডএম)

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, ওয়্যারিং পরিদর্শক

মোঃ হাসানুজ্জামান, লাইনম্যান গ্রেড-১

উত্তম কুমার মন্ডল, লাইনম্যান গ্রেড-১

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter